Header Ads

সহি সুন্নাহ সঠিক ভাবে জানাজার নামাজ আদায় করা দেখুন •• Janajar Namaj


 👉 জানাজার নামাজের সুন্নত পদ্ধতি সঠিক নিয়ম

👉জানাযার নামাজে সূরা ফাতিহা না পড়ে সানা পড়া হয় এটা নাকি নামাজ, 


অথচ 

রাসূল সাঃ বলেছেন, যে ব্যক্তি সালাতে সূরা ফাতিহা পড়ল না, তার সালাত হলো না। 

[সহিহ বুখারী-৭৫৬, সহিহ মুসলিম-৩৯৪, আবু দাউদ-৮২২, নাসাঈ-৯১১, তিরমিযী-২৪৭, ইবনে মাজাহ-৮৩৭, আহমাদ-২২৭২৯, মিশকাত-৮২২]

উক্ত হাদিস প্রমাণ করে, সূরা ফাতিহা ছাড়া সালাত হবে না।


জানাযার নামাজে সুরা ফাতিহা পড়তে হবে তার হাদিস দেখুন..................


1) ত্বলহাহ্‌ ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘আওফ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:


তিনি বলেন, আমি ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর পিছনে জানাযার সালাত আদায় করলাম। তাতে তিনি সূরা ফাতিহা পাঠ করলেন এবং (সালাত শেষে) বললেন, (আমি সূরা ফাতিহা পাঠ করলাম) যাতে লোকেরা জানতে পারে যে, এটা সুন্নাত।

  (সহিহ বুখারী, হাদিস নং ১৩৩৫)


2) আবূ উমামা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:


তিনি বলেন, জানাযার সালাতে সুন্নাত হল প্রথম তাকবীর চুপে চুপে সূরা ফাতিহা তিলাওয়াত করবে। অতঃপর আরো তিনটি তাকবীর বলবে; শেষ তাকবীরে সালাম ফিরাবে।

(নাসায়ী, হাদিস নং ১৯৮৯)


3) তালহা ইব্‌ন আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:


তিনি বলেন, আমি ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ)-এর পেছনে জানাযার সালাত আদায় করেছিলাম। আমি তাঁকে সূরা ফাতিহা তিলাওয়াত শুনতে পেলাম। যখন তিনি অবসর হলেন আমি তাঁর হস্ত ধারণ পূর্বক জিজ্ঞাসা করলামঃ আপনি জানাযার সালাতে সূরা ফাতিহা তিলাওয়াত করেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ! এটা তো সুন্নাত এবং সঠিক।

  (নাসায়ী, হাদিস নং ১৯৮৮)


জানাযার_সালাতের_সঠিক_পদ্ধতিত_ও

নিয়মঃ গুলো দেখুন 


যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ্ সুবহানাহু তাআলা আর জন্য সালাম সর্বশেষ নবী ও মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লামের উপর।


(১) মুসলিমদের জানাযার সাথে কাতারে দাঁড়াবেন, মনে মনে জানাযার নামাযের নিয়ত (দৃঢ়সংকল্প) করবেন।


(২) ইমামের পরপরই প্রথম তাকবীর দিবেন الله اكبر (আল্লাহু আকবার) “আল্লাহ সবচেয়ে বড়”। বলার সময়ে দু’হাত কাঁধের সমান উঠাবেন। তারপর হাত দুটি বুকের উপর রেখে পড়বেন ‘সুরা ফাতেহা’।

بِسۡمِ اللّٰہِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ ﴿۱﴾

পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।

اَلۡحَمۡدُ لِلّٰہِ رَبِّ الۡعٰلَمِیۡنَ ۙ﴿۲﴾ 

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সৃষ্টিকুলের রব।

الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ ۙ﴿۳﴾

দয়াময়, পরম দয়ালু, পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

مٰلِکِ یَوۡمِ الدِّیۡنِ ؕ﴿۴﴾

বিচার দিবসের মালিক।

اِیَّاکَ نَعۡبُدُ وَ اِیَّاکَ نَسۡتَعِیۡنُ ؕ﴿۵﴾

আপনারই আমরা ইবাদাত করি এবং আপনারই নিকট আমরা সাহায্য চাই।

اِہۡدِ نَا الصِّرَاطَ الۡمُسۡتَقِیۡمَ ۙ﴿۶﴾

আমাদেরকে সরল পথ দেখান। পথের হিদায়াত দিন।

صِرَاطَ الَّذِیۡنَ اَنۡعَمۡتَ عَلَیۡہِمۡ ۬ۙ غَیۡرِ الۡمَغۡضُوۡبِ عَلَیۡہِمۡ وَ لَا الضَّآلِّیۡنَ ٪﴿۷﴾

তাদের পথ, যাদের উপর আপনি অনুগ্রহ করেছেন। যাদেরকে নিয়ামত দিয়েছেন। যাদের উপর (আপনার) ক্রোধ আপতিত হয়নি এবং যারা পথভ্রষ্টও নয়।


(৩) ইমামের পরপর দ্বিতীয় তাকবীর দিবেন, তারপর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর দরূদ পড়বেন এই বলে,

 اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ، وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ، وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ، اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ

আল্লা-হুম্মা সাল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিউ ওয়া‘আলা আ-লি মুহাম্মাদিন কামা সাল্লাইতা ‘আলা ইবরাহীমা ওয়া ‘আলা আ-লি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ। আল্লা-হুম্মা বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিউ ওয়া‘আলা আলি মুহাম্মাদিন, কামা বা-রাকতা ‘আলা ইব্রাহীমা ওয়া‘আলা আ-লি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ।


“হে আল্লাহ! আপনি (আপনার নিকটস্থ উচ্চসভায়) মুহাম্মাদকে সম্মানের সাথে স্মরণ করুন এবং তাঁর পরিবার-পরিজনকে, যেমন আপনি সম্মানের সাথে স্মরণ করেছেন ইবরাহীমকে ও তাঁর পরিবার-পরিজনদেরকে। নিশ্চয় আপনি অত্যন্ত প্রশংসিত ও মহামহিমান্বিত। হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিবার পরিজনের উপর বরকত নাযিল করুন যেমন আপনি বরকত নাযিল করেছিলেন ইবরাহীম ও তাঁর পরিবার-পরিজনের উপর। নিশ্চয় আপনি অত্যন্ত প্রশংসিত ও মহামহিমান্বিত”।

☑️📚 [বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ৬/৪০৮- ৩৩৭০; মুসলিম- ৪০৬]।


এছাড়া সুন্নায় বর্ণিত অন্য যে কোনো দরূদে-ইব্রাহীমীও পড়তে পারেন।


(৪) ইমামের পরপর তৃতীয় তাকবীর দিবেন। অতঃপর মৃত ব্যক্তির জন্য দো‘আ করবেন ঐকান্তিকতা ও ইখলাসের সাথে। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক পঠিত কিছু দো‘আ নিম্নে দেওয়া হলো:

 اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِحَيِّنَا وَمَيِّتِنَا، وَشَاهِدِنَا وَغَائِبِنَا، وَصَغِيرِنَا وَكَبيرِنَا، وَذَكَرِنَا وَأُنْثَانَا. اللَّهُمَّ مَنْ أَحْيَيْتَهُ مِنَّا فَأَحْيِهِ عَلَى الْإِسْلاَمِ، وَمَنْ تَوَفَّيْتَهُ مِنَّا فَتَوَفَّهُ عَلَى الإِيمَانِ، اللَّهُمَّ لاَ تَحْرِمْنَا أَجْرَهُ، وَلاَ تُضِلَّنَا بَعْدَهُ

আল্লা-হুম্মাগফির লিহায়্যিনা ওয়া মায়্যিতিনা ওয়া শা-হিদিনা ওয়া গা-য়িবিনা ওয়া সগীরিনা ওয়া কাবীরিনা ওয়া যাকারিনা ওয়া উনসা-না। আল্লা-হুম্মা মান আহ্ইয়াইতাহু মিন্না ফা’আহয়িহি ‘আলাল-ইসলাম। ওয়ামান তাওয়াফ্‌ফাইতাহু মিন্না ফাতাওয়াফফাহু ‘আলাল ঈমান। আল্লা-হুম্মা লা তাহরিমনা আজরাহু ওয়ালা তুদ্বিল্লানা বা‘দাহু।


“হে আল্লাহ! আমাদের জীবিত ও মৃত, উপস্থিত ও অনুপস্থিত, ছোট ও বড় এবং নর ও নারীদেরকে ক্ষমা করুন। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের মধ্যে যাদের আপনি জীবিত রাখবেন তাদেরকে ইসলামের উপর জীবিত রাখুন এবং যাদেরকে মৃত্যু দান করবেন তাদেরকে ঈমানের সাথে মৃত্যু দান করুন। হে আল্লাহ! আমাদেরকে তার (মৃত্যুতে ধৈয্যধারণের) সওয়াব থেকে বঞ্চিত করবেন না এবং তার (মৃত্যুর) পর আমাদেরকে পথভ্রষ্ট করবেন না।”

☑️📚 [আবূ দাঊদ- ৩২০১; তিরমিযী- ১০২৪; নাসাঈ- ১৯৮৫; ইবন মাজাহ- ১/৪৮০ : ১৪৯৮; আহমাদ-২/৩৬৮ : ৮৮০৯; সহীহ ইবন মাজাহ্‌ ১/২৫১]।


অথবা

اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ، وَعَافِهِ، وَاعْفُ عَنْهُ، وَأَكْرِمْ نُزُلَهُ، وَوَسِّعْ مُدْخَلَهُ، وَاغْسِلْهُ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ، وَنَقِّهِ مِنَ الْخَطَايَا كَمَا نَقَّيْتَ الثَّوْبَ الأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ، وَأَبْدِلْهُ دَاراً خَيْراً مِنْ دَارِهِ، وَأَهْلاً خَيْراً مِنْ أَهْلِهِ، وَزَوْجَاً خَيْراً مِنْ زَوْجِهِ، وَأَدْخِلْهُ الْجَنَّةَ، وَأَعِذْهُ مِنْ عَذَابِ القَبْرِ [وَعَذَابِ النَّارِ]

আল্লা-হুম্মাগফির লাহু, ওয়ারহামহু, ওয়া ‘আ-ফিহি, ওয়া‘ফু ‘আনহু, ওয়া আকরিম নুযুলাহু, ওয়াওয়াসসি' মুদখালাহু, ওয়াগসিলহু বিলমা-য়ি ওয়াস্‌সালজি ওয়ালবারাদি, ওয়ানাক্বক্বিহি মিনাল খাতা-ইয়া কামা নাক্কাইতাস সাওবাল আবইয়াদা মিনাদদানাসি, ওয়া আবদিলহু দা-রান খাইরাম মিন দা-রিহি, ওয়া আহলান খাইরাম মিন আহলিহি, ওয়া যাওজান খাইরাম মিন যাওজিহি, ওয়া আদখিলহুল জান্নাতা, ওয়া আ‘য়িযহু মিন ‘আযা-বিল ক্বাবরি [ওয়া ‘আযাবিন্না-র]।


“হে আল্লাহ! আপনি তাকে ক্ষমা করুন, তাকে দয়া করুন, তাকে পূর্ণ নিরাপত্তায় রাখুন, তাকে মাফ করে দিন, তার মেহমানদারীকে মর্যাদাপূর্ণ করুন, তার প্রবেশস্থান কবরকে প্রশস্ত করে দিন। আর আপনি তাকে ধৌত করুন পানি, বরফ ও শিলা দিয়ে, আপনি তাকে গুনাহ থেকে এমনভাবে পরিষ্কার করুন যেমন সাদা কাপড়কে ময়লা থেকে পরিষ্কার করেছেন। আর তাকে তার ঘরের পরিবর্তে উত্তম ঘর, তার পরিবারের বদলে উত্তম পরিবার ও তার জোড়ের (স্ত্রী/স্বামীর) চেয়ে উত্তম জোড় প্রদান করুন। আর আপনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করান এবং তাকে কবরের আযাব [ও জাহান্নামের আযাব] থেকে রক্ষা করুন।”

☑️📚 [মুসলিম ২/৬৬৩ : ৯৬৩]।


অথবা

اللَّهُمَّ عَبْدُكَ وَابْنُ أَمَتِكَ احْتَاجَ إِلَى رَحْمَتِكَ، وَأَنْتَ غَنِيٌّ عَنْ عَذَابِهِ، إِنْ كَانَ مُحْسِناً فَزِدْ فِي حَسَنَاتِهِ، وَإِنْ كَانَ مُسِيئاً فَتَجَاوَزْ عَنْهُ

আল্লা-হুম্মা ‘আবদুকা, ওয়াবনু আমাতিকা, এহতাজা ইলা রাহমাতিকা, ওয়া আনতা গানিয়্যুন ‘আন ‘আযা-বিহি, ইন কা-না মুহসিনান ফাযিদ ফী হাসানা-তিহি, ওয়া ইনকা-না মুসীআন ফা তাজা-ওয়ায ‘আনহু।


“হে আল্লাহ, আপনার এক দাস, আর এক দাসীর পুত্র, আপনার অনুগ্রহের মুখাপেক্ষী, আপনি তাকে শাস্তি দেওয়া থেকে অমুখাপেক্ষী। যদি সে নেককার বান্দা হয়, তবে তার সওয়াব আরও বাড়িয়ে দিন, আর যদি বদকার বান্দা হয়, তবে তার অপরাধকর্ম এড়িয়ে যান।”

☑️📚 [হাদীসটি সংকলণ করেন, হাকেম তাঁর মুস্তাদরাকে এবং সহীহ বলেছেন, ১/৩৫৯; আর যাহাবী সেটা সমর্থন করেছেন। আরও দেখুন, আলবানী, আহকামুল জানায়েয, পৃ. ১২৫]।


অথবা

اللَّهُمَّ إِنَّ فُلاَنَ بْنَ فُلاَنٍ فِي ذِمَّتِكَ، وَحَبْلِ جِوَارِكَ، فَقِهِ مِنْ فِتْنَةِ الْقَبْرِ، وَعَذَابِ النَّارِ، وَأَنْتَ أَهْلُ الْوَفَاءِ وَالْحَقِّ، فَاغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ إِنَّكَ أَنْتَ الغَفُورُ الرَّحيمُ


আল্লা-হুম্মা ইন্না ফুলানাবনা ফুলা-নিন ফী যিম্মাতিকা, ওয়া হাবলি জিওয়ারিকা, ফাক্বিহি মিন ফিতনাতিল ক্বাবরি ওয়া আযা-বিন না-রি, ওয়া আনতা আহলুল ওয়াফাই ওয়াল হাক্ক, ফাগফির লাহু ওয়ারহামহু, ইন্নাকা আনতাল গাফুরুর রাহীম।


“হে আল্লাহ, অমুকের পুত্র অমুক আপনার যিম্মাদারীতে, আপনার প্রতিবেশিত্বের নিরাপত্তায়; সুতরাং আপনি তাকে কবরের পরীক্ষা থেকে এবং জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন। আর আপনি প্রতিশ্রুতি পূর্ণকারী এবং প্রকৃত সত্যের অধিকারী। অতএব, আপনি তাকে ক্ষমা করুন এবং তার উপর দয়া করুন। নিশ্চয় আপনি ক্ষমাশীল, দয়ালু।”

☑️📚 [ইবন মাজাহ্‌-১৪৯৯। দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ ১/২৫১। তাছাড়া হাদীসটি আবূ দাউদও বর্ণনা করেছেন, ৩/২১১ : ৩২০২]।


আর যদি মৃতব্যক্তি শিশু হয়, তবে বলুন,

اللَّهُمَّ اجْعَلْهُ لَنَا فَرَطاً، وَسَلَفاً، وَأَجْراً

আল্লা-হুম্মাজ‘আলহু লানা ফারাত্বান ওয়া সালাফান ওয়া আজরান।


“হে আল্লাহ, আমাদের জন্য তাকে অগ্রগামী প্রতিনিধি, অগ্রিম পূণ্য এবং সওয়াব হিসেবে নির্ধারণ করে দিন।”

☑️📚 [হাসান বসরী রাহেমাহুল্লাহ যখন ছোট শিশুদের জানাযা পড়তেন তখন তার উপর সূরা ফাতেহা পড়তেন এবং উপরোক্ত দো‘আ বলতেন। হাদীসটি ইমাম বাগভী তার শারহুস সুন্নাহ ৫/৩৫৭ এ বর্ণনা করেছেন। আরও বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রায্‌যাক তার মুসান্নাফে- ৬৫৮৮। তাছাড়া ইমাম বুখারী, কিতাবুল জানায়েয এর, ৬৫, বাবু কিরাআতি ফাতিহাতিল কিতাব আলাল জানাযাত ২/১১৩; ১৩৩৫ নং হাদীসের পূর্বে এটাকে তা‘লীক বা সনদ ব্যতীত বর্ণনা করেছেন।


(৫) ইমামের তাকবীরের পরপরই চতুর্থ তাকবীর দিবেন। প্রতি তাকবীরেই হাত তুলবেন, যেমনটি ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণনা এসেছে।


আর জানাযার নয়টি পর্যন্ত তাকবীর দেওয়া জায়েয, কিন্তু অধিকাংশ হাদীসেই চার তাকবীরের কথা এসেছে।


(৬) ইমামের পর সালাম ফিরাবেন এই বলে,

السلام عليكم ورحمة الله

‌‘আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ’


“আপনাদের উপর আল্লাহর সালাম ও তাঁর রহমত নাযিল হোক”।


মৃত ব্যক্তিকে দাফন করার পর দো'আ :

اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ وَثَبِّتْهُ -

উচ্চারণ : আল্ল-হুম্মাগফির লাহু ওয়া ছাব্বিতহু।


অর্থ : 'হে আল্লাহ! তুমি এই মৃতকে ক্ষমা কর। আর এ সময় তাকে (ঈমানের উপর) দৃঢ় রাখ'। 


নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃত ব্যক্তিকে দাফন করার পর কবরের পাশে দাঁড়াতেন এবং বলতেন, ‘তোমাদের ভাইয়ের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর, আর তার জন্য দৃঢ়তা চাও। কেননা এখনই তাকে জিজ্ঞাসা করা হবে’।

আবু দাউদ হা/৩২২১, মিশকাত হা/১৩৩, সনদ ছহীহ, 

হিছনুল মুসলিম দোআ নং ১৪৪।


উল্লেখ্য যে দাফনের পরে একজনের নেতৃত্বে সকলে সম্মিলিতভাবে হাত উঠিয়ে দো'আ করা ও সকলের সমস্বরে 'আমীন' 'আমীন' বলার প্রচলিত প্রথার কোন ভিত্তি নেই,

দাফনের পর সম্মিলিতভাবে হাত তুলে দো'আ করা সুন্নাতের খেলাফ। এটা পাক ভারত উপমহাদেশে নব্য সৃষ্টি, যা পরিত্যাগ করা অতীব যরূরী।


আল্লাহ্‌র কাছে প্রার্থনা, তিনি যেন আমাদের সকলকে রাসূল (ﷺ) সুন্নাত অনুযায়ী আমল করার তাওফীক দান করুন আমীন।

No comments

Powered by Blogger.